ইদানিং ইন্টারনেট এর বিভিন্ন সাইট এবং ব্লগে কতিপয় চিহ্নিত ব্লগার ইচ্ছেমত পবিত্র শবে বরাত এর বিরুদ্ধে লিখে যাচ্ছে। যা সৌদী ওহাবী ইবনে বাজ তাদের অনুসারীদের মনগড়া ব্যাখ্যা বিশ্লেষন মাত্র। বিপরীতে আমাদের দেশসহ বিশ্বের বিভিন্নস্থানে যারা শবে বরাত উৎযাপন করেন তাদেরকে ভন্ড দেওয়ানবাগী পীর ও মাজার পূজারীদের অনুসারী বলে প্রচার করা হচ্ছে। এদের এসব প্রতারনাপূর্ন কথাবার্তায় অনেক সাধারন সুন্নী মুসলিম ব্লগার বিভ্রান্ত হয়ে তারা পবিত্র শবে বরাত এর নিয়ামতকে পরিত্যাগ করছে। তাদের সঠিক বুঝের জন্য আমি এখানে বাংলাদেশে দেওবন্দী কওমী আলেমরা এ বৎসর পবিত্র শবে বরাত প্রসঙ্গে কি বলেছেন সেটা উল্লেখ করে প্রশ্ন রাখছি- এরাও কি ভন্ড দেওয়ানবাগী পীর ও মাজারপূজারী কি-না? |
পবিত্র শব ই বরাত এর বিরোধিতাকারীরা চরম গোমরাহ ও কাট্টা কাফির। পবিত্র শব ই বরাত এর বিরোধীদের এক কোটি টাকার প্রকাশ্য বাহাছের চ্যালেঞ্জ {০১৭৫৪-৯৭৫৪৩৩}
Total Pageviews
Saturday, July 16, 2011
পবিত্র শবে বরাত প্রসঙ্গে দেওবন্দী কওমী আলেমরা কি বলেন, জানা আছে কি? ভন্ড দেওয়ানবাগী ও মাজারপূজারীরাই কি শুধূ শবে বরাত পালন করে?
একমাত্র চরিত্রহীন গুমরাহ মনুষ্য শয়তানরাই পবিত্র শব-ই-বরাত এর বিরোধীতা করে থাকে - ১০
পবিত্র শবে বরাত যা পবিত্র কুরআন শরীফ এ “লাইলাতুম্ মুবারকা” এবং হাদীস শরীফ এ “লাইলাতুন্ নিছফি মিন শাবান” শব্দে এসেছে এর বিরোধীতায় সৌদী ওহাবী গং এবং তাদের বদ আক্বীদার অনুসারী দেশী বিদেশী উলামায়ে ছু গং এমনসব কথা বার্তা বলছে, লিখালিখি করছে যা তাদেরকে কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের খাস শাগরীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। যেমন সৌদী ওহাবীদের কানা দাজ্জাল হিসেবে কুখ্যাত মূফতে ইবনে বাজের এদেশীয় শিষ্য লিখেছে-
“শুধুমাত্র ইকরিমা থেকে বর্নিত হয়েছে, তিনি বলেন- এ আয়াত দ্বারা (সুরা দুখানের লাইলাতুম মুবারকা শব্দ দ্বারা) শাবানের মধ্য রাত্রিকে বুৃঝানো হয়েছে। এটি একটি অগ্রহনযোগ্য বর্ননা।” নাউজুবিল্লাহ!
“শুধুমাত্র ইকরিমা থেকে বর্নিত হয়েছে, তিনি বলেন- এ আয়াত দ্বারা (সুরা দুখানের লাইলাতুম মুবারকা শব্দ দ্বারা) শাবানের মধ্য রাত্রিকে বুৃঝানো হয়েছে। এটি একটি অগ্রহনযোগ্য বর্ননা।” নাউজুবিল্লাহ!
একমাত্র চরিত্রহীন গুমরাহ মনুষ্য শয়তানরাই পবিত্র শব-ই-বরাত এর বিরোধীতা করে থাকে - ৯
পবিত্র শবে বরাত যা পবিত্র কুরআন শরীফ এ “লাইলাতুম্ মুবারকা” এবং হাদীস শরীফ এ “লাইলাতুন্ নিছফি মিন শাবান” শব্দে এসেছে এর বিরোধীতায় সৌদী ওহাবী গং এবং তাদের বদ আক্বীদার অনুসারী দেশী বিদেশী উলামায়ে ছু গং এমনসব কথা বার্তা বলছে, লিখালিখি করছে যা তাদেরকে কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের খাস শাগরীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। যেমন সৌদী ওহাবীদের কানা দাজ্জাল হিসেবে কুখ্যাত মূফতে ইবনে বাজের এদেশীয় শিষ্য লিখেছে-
“যদি ঐ রাত্রি উদযাপনকারী তাবেয়ীনদের পক্ষে কোন দলীল থাকত, তাহলে তারা তা অবশ্যই পেশ করে তাদের কর্মকা-ের যথার্থতা প্রমাণ করার চেষ্টা করতেন, অথচ এরকম করেছেন বলে প্রমাণিত হয়নি।” নাউজুবিল্লাহ!
দেখুন! ওহাবী মনুষ্য শয়তানগুলো কি মারাতœক অপবাদ আরোপ করছে উম্মাহর সর্বশ্রেষ্ঠ আলিম হযরত তাবেয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতি। উনারা নাকি পবিত্র শবে বরাতে বিনা দলীলে আমল করেছেন। তার মানে ঐ জামানায় উনারা পবিত্র কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ ছাড়াই নিজেরা মনগড়া বানিয়ে বানিয়ে ইবাদত বন্দেগী করতেন? নাউজুবিল্লাহ! এক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার জবাব হলো, যদি এটা ঐতিহাসিকভাবে প্রমানিত হয় অর্থাৎ মাশহুর হয় যে, খায়রুল কুরুনের উম্মাহর সর্বশ্রেষ্ঠ আলিম হযরত তাবেয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন পবিত্র শবে বরাত বা অন্য কোন উপলক্ষে কোন ইবাদত বা আমল করেছেন তবে পরবর্তী উম্মাহর জন্য ঐ বিষয়ে পবিত্র র্কুআন শরীফ বা হাদীস শরীফ-এ কোন দলীল আছে কিনা এটা জানা বা জানার চেষ্টা করা মোটেও জরুরী নয়। কেননা উনাদের আক্বীদা আমলই পরবর্তী উম্মাহর জন্য দলীল হিসেবে যথেষ্ট- এটাই শরীয়াসম্মত ফায়সালা। ওহাবী বিদয়াতীরা নিজেরাই স্বীকার করেছে তাবেয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন উনাদের বিশাল এক জামায়াত (মূলত; প্রত্যেকেই) পবিত্র শবে বরাত ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে উদযাপন করেছেন। তাহলে তো একটি কথা পরিষ্কার, সলফে সালেহীনদের আমলের মাঝে যে বিষয়টির দলীল রয়েছে সেটা মোটেও বিদয়াত নয়। এখন তাহলে ওহাবীরাই বলুক, হারাম ছবি তোলা, ভিডিও করা, ইসলাম ছেড়ে তন্ত্র করা, ইহুদী মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব করা,বেপর্দা হওয়া, সুনির্দিষ্ট তারিখে সৌদীতে জাতীয় দিবস উদযাপন করা, নৃত্য করা এগুলোর শরয়ী ভিত্তি কি? তারা যদি মনূষ্য নামক গুমরাহ ্ইবলিশ শয়তান না হয়ে থাকে তবে অবিলম্বে উম্মাহর নিকট এসব কর্মকান্ডের যর্থাথতার শরয়ী দলীল প্রমান পেশ করুক। নিজেরা অপকর্মের মাঝে লিপ্ত থেকে গোটা মিল্লাতকেও অপকর্মের মাঝে লিপ্ত করানোর অপচেষ্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানই করে থাকে।
“যদি ঐ রাত্রি উদযাপনকারী তাবেয়ীনদের পক্ষে কোন দলীল থাকত, তাহলে তারা তা অবশ্যই পেশ করে তাদের কর্মকা-ের যথার্থতা প্রমাণ করার চেষ্টা করতেন, অথচ এরকম করেছেন বলে প্রমাণিত হয়নি।” নাউজুবিল্লাহ!
একমাত্র চরিত্রহীন গুমরাহ মনুষ্য শয়তানরাই পবিত্র শব-ই-বরাত এর বিরোধীতা করে থাকে - ৮
পবিত্র শবে বরাত যা পবিত্র কুরআন শরীফ এ “লাইলাতুম্ মুবারকা” এবং হাদীস শরীফ এ “লাইলাতুন্ নিছফি মিন শাবান” শব্দে এসেছে এর বিরোধীতায় সৌদী ওহাবী গং এবং তাদের বদ আক্বীদার অনুসারী দেশী বিদেশী উলামায়ে ছু গং এমনসব কথা বার্তা বলছে, লিখালিখি করছে যা তাদেরকে কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের খাস শাগরীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। যেমন সৌদী ওহাবীদের কানা দাজ্জাল হিসেবে কুখ্যাত মূফতে ইবনে বাজের এদেশীয় শিষ্য লিখেছে-
“শবে বরাতের রাত্রিতে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সুনির্দিষ্ট ইবাদত বন্দেগী করেছেন বলে সহীহ হাদীসে বর্নিত হয়নি। অনুরুপভাবে কোন সাহাবী থেকেও কিছু বর্নিত হয়নি। তাবেয়ীনদের মধ্যে তিনজন ব্যাতীত আর কারো থেকে বর্নিত হয়নি।” নাউজুবিল্লাহ! ! সুত্র/ ড: আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ যাকারিয়া, সহকারী অধ্যাপক, আল ফিক্বহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।
বদ ্্আক্বীদা বদ আমলধারী ওহাবীদের উক্ত মিথ্যা বক্তব্যের জবাবে বলতে হয়, তারা তো সহীহ হাদীস শরীফকে স্বীকারই করেনা। অথচ আমরা হাজার হাজার সহীহ হাদীস শরীফ বর্ননা করতে পারি যা ওহাবীরাও জানে যেগুলো থেকে পবিত্র শবে বরাত পালন করা উম্মাহর জন্য ফরজ ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে যায়। আর সহীহ হাদীস শরীফ হযরত ছাহাবায়ে আজমাঈন রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বর্ননা করেছেন বলেইতো সেগুলো হাদীস শরীফ এর কিতাবে এসেছে। উনারা যদি কিছু বর্ননা না করে থাকেন তবে হযরত তাবেয়ীন কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন (ওদের মতে তিনজন) উনারা কি তাহলে হাওয়া থেকে সেগুলো বর্ননা করেছেন? মূলত; হযরত তাবেয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন উনারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগন উনাদের থেকে পবিত্র শবে বরাতের রাত্রিতে সুস্পষ্ট ইবাদত বন্দেগী করার বিস্তারীত দলীল প্রমান লাভ করার কারনেই সেগুলো উনারা পরবর্তী গনের নিকট বর্ননা করেছেন। এখন ওহাবীদের নিকট জিজ্ঞাসা, খায়রুল কুরুনের উনারা কি মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুসরনীয় দলীল নন? উনাদের বর্ননা এবং আমল যদি মুসলমানদের জন্য দলীল না হয় তবে যে সমস্ত ওহাবী মৌলুভীরা হরদম হারাম ছবি তোলে ভিডিও করে, বেপর্দা হয়, সুন্নতী পোষাক ছেড়ে বিদাতী পোষাক পড়ে, রাজতন্ত্রের গোলামী করে, ইহুদী নাছারা মুশরিকদের সাথে দোস্তী করে তাদের বর্ননা মুসলিম উম্মাহ কি করে গ্রহন করতে পারে! তারা হাজারো মিথ্যা ছল চাতুরী দিয়ে এতসব হারামকে হালাল করতে পারলে পবিত্র শবে বরাতের ইবাদত বন্দেগীর মত হালাল জায়িজ আমলকেও হারাম বিদয়াত বলে পরিত্যাগ করতে পারেনা একথাও বা কিভাবে বিশ্বাস করা যায়!
“শবে বরাতের রাত্রিতে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সুনির্দিষ্ট ইবাদত বন্দেগী করেছেন বলে সহীহ হাদীসে বর্নিত হয়নি। অনুরুপভাবে কোন সাহাবী থেকেও কিছু বর্নিত হয়নি। তাবেয়ীনদের মধ্যে তিনজন ব্যাতীত আর কারো থেকে বর্নিত হয়নি।” নাউজুবিল্লাহ! ! সুত্র/ ড: আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ যাকারিয়া, সহকারী অধ্যাপক, আল ফিক্বহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।
বদ ্্আক্বীদা বদ আমলধারী ওহাবীদের উক্ত মিথ্যা বক্তব্যের জবাবে বলতে হয়, তারা তো সহীহ হাদীস শরীফকে স্বীকারই করেনা। অথচ আমরা হাজার হাজার সহীহ হাদীস শরীফ বর্ননা করতে পারি যা ওহাবীরাও জানে যেগুলো থেকে পবিত্র শবে বরাত পালন করা উম্মাহর জন্য ফরজ ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে যায়। আর সহীহ হাদীস শরীফ হযরত ছাহাবায়ে আজমাঈন রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বর্ননা করেছেন বলেইতো সেগুলো হাদীস শরীফ এর কিতাবে এসেছে। উনারা যদি কিছু বর্ননা না করে থাকেন তবে হযরত তাবেয়ীন কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন (ওদের মতে তিনজন) উনারা কি তাহলে হাওয়া থেকে সেগুলো বর্ননা করেছেন? মূলত; হযরত তাবেয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন উনারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগন উনাদের থেকে পবিত্র শবে বরাতের রাত্রিতে সুস্পষ্ট ইবাদত বন্দেগী করার বিস্তারীত দলীল প্রমান লাভ করার কারনেই সেগুলো উনারা পরবর্তী গনের নিকট বর্ননা করেছেন। এখন ওহাবীদের নিকট জিজ্ঞাসা, খায়রুল কুরুনের উনারা কি মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুসরনীয় দলীল নন? উনাদের বর্ননা এবং আমল যদি মুসলমানদের জন্য দলীল না হয় তবে যে সমস্ত ওহাবী মৌলুভীরা হরদম হারাম ছবি তোলে ভিডিও করে, বেপর্দা হয়, সুন্নতী পোষাক ছেড়ে বিদাতী পোষাক পড়ে, রাজতন্ত্রের গোলামী করে, ইহুদী নাছারা মুশরিকদের সাথে দোস্তী করে তাদের বর্ননা মুসলিম উম্মাহ কি করে গ্রহন করতে পারে! তারা হাজারো মিথ্যা ছল চাতুরী দিয়ে এতসব হারামকে হালাল করতে পারলে পবিত্র শবে বরাতের ইবাদত বন্দেগীর মত হালাল জায়িজ আমলকেও হারাম বিদয়াত বলে পরিত্যাগ করতে পারেনা একথাও বা কিভাবে বিশ্বাস করা যায়!
Tuesday, July 12, 2011
একমাত্র চরিত্রহীন গুমরাহ মনুষ্য শয়তানরাই পবিত্র শব-ই-বরাত এর বিরোধীতা করে থাকে - ৭
পবিত্র শবে বরাত যা পবিত্র কুরআন শরীফ এ “লাইলাতুম্ মুবারকা” এবং হাদীস শরীফ এ “লাইলাতুন্ নিছফি মিন শাবান” শব্দে এসেছে এর বিরোধীতায় সৌদী ওহাবী গং এবং তাদের বদ আক্বীদার অনুসারী দেশী বিদেশী উলামায়ে ছু গং এমনসব কথা বার্তা বলছে, লিখালিখি করছে যা তাদেরকে কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের খাস শাগরীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। যেমন সৌদী ওহাবীদের কানা দাজ্জাল হিসেবে কুখ্যাত মূফতে ইবনে বাজের এদেশীয় শিষ্য লিখেছে-
“শবে বরাতের হাদীসগুলি পরীক্ষা করলে দেখা যায়, হযরত আলী রদিযাল্লাহু তায়ালা আনহু বর্নিত হাদীসটি একেবারেই বানোয়াট। সুতরাং তার উপর আমল করা উম্মাতের আলেমদের ঐক্যমতে জায়েজ হবে না।” নাউজুবিল্লাহ! সুত্র/ ড: আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ যাকারিয়া, সহকারী অধ্যাপক, আল ফিক্বহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।
এর জওয়াবে বলতে হয়, নুরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীস শরীফ পরিক্ষা নিরীক্ষা করার যোগ্যতা ওহাবীদেরকে কে দিয়েছে? তারা কি সেক্বাহ রাবীর যোগ্যতা সম্পর্কে বেখবর হয়ে গেছে? তারা দায়েমীভাবে হারাম কুফরীতে মগ্ন থেকে কি করে হাদীস শরীফ পরীক্ষা করার দু:সাহস দেখায়? অথচ চরম শ্রেনীর নেককার পরহেজগার আল্লাহওয়ালা বুজর্গ ইলমে লাদুন্নী প্রাপ্ত উলামা মাশায়িখ উনারা ছাড়া অন্য কেউ হাদীস শরীফ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখার যোগ্যতা রাখেনা। আসল কথা হলো ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যখন ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত হাদীস শরীফ এর সুমহান ইমামগন পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কিত বর্ননাগুলোকে শক্তিশালী সহীহ পেয়েছেন তখনই উনারা উনাদের কিতাব পত্রে শবে বরাত সম্পর্কিত বর্ননা সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন। যেমন সহীহ ইবনে মাযাহ শরীফসহ অসংখ্য হাদীস শরীফ এ বর্নিত হয়েছে- “হযরত আলী রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হতে বর্ননা করেন, যখন শাবান মাসের মধ্য রাত্রি তোমাদের মাঝে উপস্থিত হবে তখন সারা রাত্রি তোমরা নামাজ কালাম ইবাদত বন্দেগী করবে এবং দিনের বেলায় রোজা রাখবে।” এখন এই হাদীস শরীফ এ নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেখা যাচ্ছে যা পালন করা উম্মতের জন্য ফরজ ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে যায়। যেহেতু স্বয়ং আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ ফরমান-“ আমার রসূল ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে যা আদেশ করেন তা মান্য করো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেন তা থেকে বিরত থাক”। এখন ওহাবীরা যেহেতু মনূষ্য শয়তান তাই তারা আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক মানতে নারাজ। এজন্যই তারা পবিত্র শবে বরাতের সহীহ বর্ননাকে বানোয়াট বলে বর্জন করে। নাউজুবিল্লাহ!
“শবে বরাতের হাদীসগুলি পরীক্ষা করলে দেখা যায়, হযরত আলী রদিযাল্লাহু তায়ালা আনহু বর্নিত হাদীসটি একেবারেই বানোয়াট। সুতরাং তার উপর আমল করা উম্মাতের আলেমদের ঐক্যমতে জায়েজ হবে না।” নাউজুবিল্লাহ! সুত্র/ ড: আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ যাকারিয়া, সহকারী অধ্যাপক, আল ফিক্বহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।
এর জওয়াবে বলতে হয়, নুরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীস শরীফ পরিক্ষা নিরীক্ষা করার যোগ্যতা ওহাবীদেরকে কে দিয়েছে? তারা কি সেক্বাহ রাবীর যোগ্যতা সম্পর্কে বেখবর হয়ে গেছে? তারা দায়েমীভাবে হারাম কুফরীতে মগ্ন থেকে কি করে হাদীস শরীফ পরীক্ষা করার দু:সাহস দেখায়? অথচ চরম শ্রেনীর নেককার পরহেজগার আল্লাহওয়ালা বুজর্গ ইলমে লাদুন্নী প্রাপ্ত উলামা মাশায়িখ উনারা ছাড়া অন্য কেউ হাদীস শরীফ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখার যোগ্যতা রাখেনা। আসল কথা হলো ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যখন ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত হাদীস শরীফ এর সুমহান ইমামগন পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কিত বর্ননাগুলোকে শক্তিশালী সহীহ পেয়েছেন তখনই উনারা উনাদের কিতাব পত্রে শবে বরাত সম্পর্কিত বর্ননা সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন। যেমন সহীহ ইবনে মাযাহ শরীফসহ অসংখ্য হাদীস শরীফ এ বর্নিত হয়েছে- “হযরত আলী রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হতে বর্ননা করেন, যখন শাবান মাসের মধ্য রাত্রি তোমাদের মাঝে উপস্থিত হবে তখন সারা রাত্রি তোমরা নামাজ কালাম ইবাদত বন্দেগী করবে এবং দিনের বেলায় রোজা রাখবে।” এখন এই হাদীস শরীফ এ নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেখা যাচ্ছে যা পালন করা উম্মতের জন্য ফরজ ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে যায়। যেহেতু স্বয়ং আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ ফরমান-“ আমার রসূল ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে যা আদেশ করেন তা মান্য করো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেন তা থেকে বিরত থাক”। এখন ওহাবীরা যেহেতু মনূষ্য শয়তান তাই তারা আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক মানতে নারাজ। এজন্যই তারা পবিত্র শবে বরাতের সহীহ বর্ননাকে বানোয়াট বলে বর্জন করে। নাউজুবিল্লাহ!
একমাত্র চরিত্রহীন গুমরাহ মনুষ্য শয়তানরাই পবিত্র শব-ই-বরাত এর বিরোধীতা করে থাকে -৬
পবিত্র শবে বরাত যা পবিত্র কুরআন শরীফ এ “লাইলাতুম্ মুবারকা” এবং হাদীস শরীফ এ “লাইলাতুন্ নিছফি মিন শাবান” শব্দে এসেছে এর বিরোধীতায় সৌদী ওহাবী গং এবং তাদের বদ আক্বীদার অনুসারী দেশী বিদেশী উলামায়ে ছু গং এমনসব কথা বার্তা বলছে, লিখালিখি করছে যা তাদেরকে কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের খাস শাগরীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। যেমন সৌদী ওহাবীদের কানা দাজ্জাল হিসেবে কুখ্যাত মূফতে ইবনে বাজের এদেশীয় শিষ্য লিখেছে-
“দুর্বল হাদীসের উপর আমল করতে হলে আমল করার সময় এটা রাসুল ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (উনার) থেকে প্রমানিত বলে বিশ্বাস করা যাবে না”। সুত্র/ ড: আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ যাকারিয়া, সহকারী অধ্যাপক, আল ফিক্বহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।
নাউজুবিল্লাহ! আচ্ছা, এই ওহাবীর গোলামদের নিকট আমাদের জিজ্ঞাসা, তাদের এই কথার দলীল পবিত্র কুরআন শরীফ বা সহ’ীহ হাদীস শরীফ এর কোথায় রয়েছে? রাবীর দুর্বলতার কারনে কোন হাদীস শরীফ যদি জয়ীফ প্রমানিত হয় তবে সেটা নুরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীস শরীফ নয় এমন ধারনা করা যাবেনা সেটা ওহাবী চেলাদেরকে কে বলেছে? বরং আমরা তো দেখেছি, কোন বিষয়ে একটি দুর্বল হাদীস শরীফ পাওয়া গেলেও ঐ বিষয়ে আদবের কারনে সম্মানিত ইমাম মুজতাহিদ আউলিয়্ াকিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন কখনো কিয়াস করে বক্তব্য দিতেন না বা মাসয়ালা বর্ননা করতেন না। উনারা নিজেদের কিয়াসের বিপরীতে বরাবর ঐ জয়ীফ হাদীস শরীফকেই প্রাধান্য দিতেন বা দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অপরদিকে ওহাবী খারেজী বিদয়াতী সম্প্রদায়ের মৌলুভীদের নিকট পবিত্র কুরআন শরীফ এবং সহীহ হাদীস শরীফ পেশ করার পরও তারা বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাতে সেগুলোকেও বর্জন করে। নাউজুবিল্লাহ! এটা শুধু পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কেই নয় বরং দেখা যায়, পর্দা করার ব্যাপারে, ছবি না তোলার ব্যাপারে, তন্ত্রমন্ত্র না করার ব্যাপারে, বিধর্মী বিজাতীদের সাথে সম্পর্ক না রাখার ব্যাপারে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ এ অকাট্ট্য প্রমান থাকার পরও তারা সেগুলোকে বর্জন করছে। মূলত; একই কারনে তারা পবিত্র কুরআন শরীফ এ সুরা দুখানে পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কে এবং অসংখ্য অগনিত সহীহ হাদীস শরীফ এ পবিত্র শবে বরাত প্রসঙ্গে শক্তিশালী বর্ননা থাকার পরও তারা সেগুলো অস্বীকার করছে। এরা যদি সত্যিকার ঈমানদার হতো তাহলে এমনটি করার দূ;সাহস দেখাতে পারতো না। মূলত; এরা নির্ভেজাল চরিত্রহীন মনুষ্য নামধারী কাট্টা ইবলিশ শয়তান। নাউজুবিল্লাহ!
“দুর্বল হাদীসের উপর আমল করতে হলে আমল করার সময় এটা রাসুল ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (উনার) থেকে প্রমানিত বলে বিশ্বাস করা যাবে না”। সুত্র/ ড: আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ যাকারিয়া, সহকারী অধ্যাপক, আল ফিক্বহ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া।
নাউজুবিল্লাহ! আচ্ছা, এই ওহাবীর গোলামদের নিকট আমাদের জিজ্ঞাসা, তাদের এই কথার দলীল পবিত্র কুরআন শরীফ বা সহ’ীহ হাদীস শরীফ এর কোথায় রয়েছে? রাবীর দুর্বলতার কারনে কোন হাদীস শরীফ যদি জয়ীফ প্রমানিত হয় তবে সেটা নুরে মুজাসসাম, হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীস শরীফ নয় এমন ধারনা করা যাবেনা সেটা ওহাবী চেলাদেরকে কে বলেছে? বরং আমরা তো দেখেছি, কোন বিষয়ে একটি দুর্বল হাদীস শরীফ পাওয়া গেলেও ঐ বিষয়ে আদবের কারনে সম্মানিত ইমাম মুজতাহিদ আউলিয়্ াকিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন কখনো কিয়াস করে বক্তব্য দিতেন না বা মাসয়ালা বর্ননা করতেন না। উনারা নিজেদের কিয়াসের বিপরীতে বরাবর ঐ জয়ীফ হাদীস শরীফকেই প্রাধান্য দিতেন বা দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অপরদিকে ওহাবী খারেজী বিদয়াতী সম্প্রদায়ের মৌলুভীদের নিকট পবিত্র কুরআন শরীফ এবং সহীহ হাদীস শরীফ পেশ করার পরও তারা বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাতে সেগুলোকেও বর্জন করে। নাউজুবিল্লাহ! এটা শুধু পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কেই নয় বরং দেখা যায়, পর্দা করার ব্যাপারে, ছবি না তোলার ব্যাপারে, তন্ত্রমন্ত্র না করার ব্যাপারে, বিধর্মী বিজাতীদের সাথে সম্পর্ক না রাখার ব্যাপারে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ এ অকাট্ট্য প্রমান থাকার পরও তারা সেগুলোকে বর্জন করছে। মূলত; একই কারনে তারা পবিত্র কুরআন শরীফ এ সুরা দুখানে পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কে এবং অসংখ্য অগনিত সহীহ হাদীস শরীফ এ পবিত্র শবে বরাত প্রসঙ্গে শক্তিশালী বর্ননা থাকার পরও তারা সেগুলো অস্বীকার করছে। এরা যদি সত্যিকার ঈমানদার হতো তাহলে এমনটি করার দূ;সাহস দেখাতে পারতো না। মূলত; এরা নির্ভেজাল চরিত্রহীন মনুষ্য নামধারী কাট্টা ইবলিশ শয়তান। নাউজুবিল্লাহ!
Thursday, July 7, 2011
একমাত্র চরিত্রহীন গুমরাহ মনুষ্য শয়তানরাই পবিত্র শব-ই-বরাত এর বিরোধীতা করে থাকে - ৫
পবিত্র শবে বরাত যা পবিত্র কুরআন শরীফ এ “লাইলাতুম্ মুবারকা” এবং হাদীস শরীফ এ “লাইলাতুন্ নিছফি মিন শাবান” শব্দে এসেছে এর বিরোধীতায় সৌদী ওহাবী গং এবং তাদের বদ আক্বীদার অনুসারী দেশী বিদেশী উলামায়ে ছু গং এমনসব কথা বার্তা বলছে, লিখালিখি করছে যা তাদেরকে কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের খাস শাগরীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। যেমন সৌদী ওহাবীদের কানা দাজ্জাল হিসেবে কুখ্যাত মূফতে ইবনে বাজ লিখেছে-
“শবে বরাত নিয়ে বর্নিত হাদীস শরীফ এর কারনে ফুকাহায়ে কিরামের একটি দল ধোঁকায় পতিত হয়েছেন; যেমন ইমাম গাজ্জালী। তদ্রুপ মুফাসসিরিনদের এক দলও।” নাউজুবিল্লাহ! (সূত্র;ইসলাম প্রচার ব্যুরো,রাবওয়া/রিয়াদ)
জাহিল নির্বোধ ইবনে বাজের খেদোক্তি হলো, কেন বিশ্ব বিখ্যাত ইমাম মুজতাহিদ উলামায়ে কিরাম পবিত্র শবে বরাত এর হাদীস শরীফগুলো উনাদের কিতাব মুবারকে সহীহ বলে উল্লেখ করলেন আর কেনই বা হযরত মুফাসসিরিনে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন উনাদের তাফসীরে সুরা দুখানে বর্নিত “লাইলাতুম মুবারাকা” বলে শবে বরাত কে উল্লেখ করলেন। এটা তার এবং সমস্ত ওহাবী বাতিলদের জন্য মহা আফসূস! একারনে তারা তাদের বাতিল মতবাদ মুসলিম মিল্লাতে প্রতিষ্ঠিত করতে পারছে না। এখন কথা হলো- হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মত ইমাম মুজতাহিদগন যদি ধোকাঁয় পড়ে যান তবে ধোঁকামুক্ত কারা? সোদী ওহাবী বিদয়াতীরা? ইবলিশ শয়তান তো তাদেরকে ধোকা দেয়, যারা হারাম ছবি তোলে ভিডিও করে, টিভি দেখে ও তাতে প্রোগ্রাম করে, বেপর্দা বেশরা হয়, ইসলাম ছেড়ে রাজতন্ত্রের গোলামী করে, ইহুদী নাছারা মুশরিকদের সাথে ব›দ্ধুত্ব করে। অপরদিকে যারা এসব অপকর্ম থেকে সম্পুর্ন মুক্ত পাক পবিত্র যাদেঁর মাধ্যমে দুনিয়াতে দ্বীন ইসলাম আবাদ হয়েছে, যাদের উসীলায় লক্ষ কোটি উম্মত ইবলিশের ধোকা থেকে পরিত্রান পেয়েছে তারা ধোকায় পড়েছেন এটা একমাত্র কাট্টা মালাউন ইবলিশ শয়তানের মনুষ্য বশংবদ ছাড়া আর কেউ বলতে পারে না। অথচ ইতিহাস বলে ঐ জামানায় হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি যদি তাশরীফ না নিতেন তবে দ্বীন ইসলাম এর অনুসারী বিশ্বের তাবৎ মুসলমানগণ ইসলাম থেকে দুরে সরে গিয়ে গ্রিক দর্শনের মতবাদের দিকে ঝুকে পড়তেন। আজকে তো ঐ সমস্ত পাপাতœা শ্রেনীর লোক উনার প্রতি ধোকায় পড়ে যাবার অপবাদ দেয় যারা সেই গ্রীক বিধর্মী বিজাতীদের সাথে তাশাব্বুহ রেখে জাহান্নামী হয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)